দ্বীনিয়াত ও শিক্ষা
রাসুল (সাঃ) বদদোয়া করেছেন?
আবু আব্দুল্লাহ | December 14 2023 | 345অনেকের একটি ধারণা রয়েছে যে আল্লাহর রাসুল (ﷺ) কখনো কারো জন্য বদদোয়া করেন নাই। এটি একটি ভুল ধারণা। তিনি যালিম কাফিরদের গোত্রের নাম ধরে এবং কাফিরদের নাম ধরে উভয়ভাবেই বদদোয়া করেছেন এবং কিছু বদামলের জন্য বদকার-মুসলিমদেরও লানত করেছেন। তাই যালিম কাফের দেশের বা গোত্রের নাম ধরে বা কাফিরদের নাম ধরে বদদোয়া করা যাবে যা হাদিস থেকে প্রমাণিত। হা তিনি অযথা কোন মুসলিমকে অভিশাপ, লানত করেন নাই এবং নিষেধ করে গেছেন। নিচের হাদিসগুলো দেখুন তাহলেই বিষয়গুলো পরিষ্কার হয়ে যাবে-
১। আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন,
مُحَمَّدٌ أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللهِ أَخْبَرَنَا سُلَيْمَانُ التَّيْمِيُّ عَنْ أَبِيْ مِجْلَزٍ عَنْ أَنَسٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ قَالَ قَنَتَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم بَعْدَ الرُّكُوْعِ شَهْرًا يَدْعُوْ عَلَى رِعْلٍ وَذَكْوَانَ وَيَقُوْلُ عُصَيَّةُ عَصَتْ اللهَ وَرَسُوْلَهُ
নবী (ﷺ) এক মাস ব্যাপী সলাতে রুকুর পরে কুনূত পাঠ পড়েছেন। এতে তিনি রি‘ল, যাকওয়ান গোত্রের জন্য বদদু‘আ করেছেন। তিনি বলেন, উসায়্যা গোত্র আল্লাহ ও তাঁর রসুলের অবাধ্যতা করেছে। (সহিহ বুখারী ৪০৯৪, মান: সহিহ)
২। আলী (রাঃ) থেকে বর্ণিত,
إِسْحَاقُ حَدَّثَنَا رَوْحٌ حَدَّثَنَا هِشَامٌ عَنْ مُحَمَّدٍ عَنْ عَبِيْدَةَ عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ عَنْ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ قَالَ يَوْمَ الْخَنْدَقِ مَلَا اللهُ عَلَيْهِمْ بُيُوْتَهُمْ وَقُبُوْرَهُمْ نَارًا كَمَا شَغَلُوْنَا عَنْ صَلَاةِ الْوُسْطَى حَتَّى غَابَتْ الشَّمْسُ
নবী (ﷺ) হতে বর্ণিত যে, তিনি খন্দকের যুদ্ধের দিন বদদু’আ করে বলছিলেন, আল্লাহ তাদের ঘরবাড়ি ও কবর আগুন দ্বারা ভরে দিন। কারণ তারা আমাদেরকে মধ্যবর্তী সলাতের সময় ব্যস্ত করে রেখেছে, এমনকি সূর্য অস্তমিত হয়ে গেছে। (সহিহ বুখারী ৪১১১, মান: সহিহ)
৩। উবাইদ ইবনে রিফাআ আয-যুরাকী (র) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন,
"اللَّهُمَّ قَاتِلِ الْكَفَرَةَ الَّذِينَ يَصُدُّونَ عَنْ سَبِيلِكَ، وَيُكَذِّبُونَ رُسُلَكَ، وَاجْعَلْ عَلَيْهِمْ رِجْزَكَ وَعَذَابَكَ. اللَّهُمَّ قَاتِلِ الْكَفَرَةَ الَّذِينَ أُوتُوا الْكِتَابَ، إِلَهَ الْحَقِّ"
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) দোয়া করেনঃ “হে আল্লাহ! তুমি কাফেরদের ধ্বংস করো, যারা তোমার পথে বাধা সৃষ্টি করে। তোমার ক্রোধ ও আযাব তাদের উপর অবতীর্ণ করো। হে আল্লাহ! কিতাবপ্রাপ্ত কাফেরদের ধ্বংস করো। হে সত্য ইলাহ”। (আদাবুল মুফরাদ ৭০৪ নাসাঈ, হাকিম, ইবনে হিব্বান, মান: সহিহ)
৪। আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ:
"عَنْ أَبِيْهِ أَنَّهُ سَمِعَ رَسُوْلَ اللهِ صلى الله عليه وسلم إِذَا رَفَعَ رَأْسَهُ مِنْ الرُّكُوْعِ مِنْ الرَّكْعَةِ الآخِرَةِ مِنَ الْفَجْرِ يَقُوْلُ اللهُمَّ الْعَنْ فُلَانًا وَفُلَانًا وَفُلَانًا بَعْدَ مَا يَقُوْلُ سَمِعَ اللهُ لِمَنْ حَمِدَهُ رَبَّنَا وَلَكَ الْحَمْدُ فَأَنْزَلَ اللهُ" {لَيْسَ لَكَ مِنَ الْأَمْرِ شَيْءٌ}
তিনি রসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে ফাজরের সলাতের শেষ রাকআতে রুকু থেকে মাথা উঠিয়ে سَمِعَ اللهُ لِمَنْ حَمِدَهُ رَبَّنَا وَلَكَ الْحَمْدُ বলার পর বলতে শুনেছেন, হে আল্লাহ! আপনি অমুক, অমুক এবং অমুকের উপর লা’নাত বর্ষণ করুন। তখন আল্লাহ অবতীর্ণ করলেন, তিনি তাদের প্রতি ক্ষমাশীল হবেন অথবা তাদেরকে শাস্তি দেবেন, এ বিষয়ে আপনার কিছুই নেই। কারণ তারা যালিম। (সহিহ বুখারী ৪০৬৯, মান: সহিহ)
৫। সালিম ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রহঃ) থেকে বর্ণিত,
"وَعَنْ حَنْظَلَةَ بْنِ أَبِيْ سُفْيَانَ سَمِعْتُ سَالِمَ بْنَ عَبْدِ اللهِ يَقُوْلُ كَانَ رَسُوْلُ الله صلى الله عليه وسلم يَدْعُوْ عَلَى صَفْوَانَ بْنِ أُمَيَّةَ وَسُهَيْلِ بْنِ عَمْرٍو وَالْحَارِثِ بْنِ هِشَامٍ فَنَزَلَتْ {لَيْسَ لَكَ مِنَ الْأَمْرِ شَيْءٌ} إِلَى قَوْلِهِ {فَإِنَّهُمْ ظَالِمُوْنَ}
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (ﷺ) সাফওয়ান ইবনু উমাইয়া, সুহায়ল ইবনু আমর এবং হারিস ইবনু হিশামের জন্য বদদু’আ করতেন। এ ব্যাপারেই অবতীর্ণ হয়েছে- “তিনি তাদের প্রতি ক্ষমাশীল হবেন অথবা তাদেরকে শাস্তি দেবেন, এ বিষয়ে আপনার করনীয় কিছুই নেই। কারণ তারা যালিম।”(সহিহ বুখারী ৪০৭০, মান: সহিহ)
৬। ইবনু আবূ আওফা (রাঃ) থেকে বর্ণিত,
قَالَ سَمِعْتُ ابْنَ أَبِي أَوْفَى ـ رضى الله عنهما ـ قَالَ دَعَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَلَى الأَحْزَابِ فَقَالَ “ اللَّهُمَّ مُنْزِلَ الْكِتَابِ، سَرِيعَ الْحِسَابِ، اهْزِمِ الأَحْزَابَ، اهْزِمْهُمْ وَزَلْزِلْهُمْ ”.
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) (খন্দকের যুদ্ধে) শত্রু বাহিনীর উপর বদ দু’আ করেছেনঃ হে আল্লাহ! হে কিতাব নাযিলকারী! হে দ্রুত হিসাব গ্রহণকারী! আপনি শত্রু বাহিনীকে পরাস্ত করুন। তাদের পরাস্ত করুন এবং তাদের প্রকম্পিত করে দিন। (সহিহ বুখারী ৬৩৯২, মান: সহিহ)
৭। আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত,
النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ إِذَا قَالَ ” سَمِعَ اللَّهُ لِمَنْ حَمِدَهُ ”. فِي الرَّكْعَةِ الآخِرَةِ مِنْ صَلاَةِ الْعِشَاءِ قَنَتَ ”اللَّهُمَّ أَنْجِ عَيَّاشَ بْنَ أَبِي رَبِيعَةَ، اللَّهُمَّ أَنْجِ الْوَلِيدَ بْنَ الْوَلِيدِ، اللَّهُمَّ أَنْجِ سَلَمَةَ بْنَ هِشَامٍ، اللَّهُمَّ أَنْجِ الْمُسْتَضْعَفِينَ مِنَ الْمُؤْمِنِينَ، اللَّهُمَّ اشْدُدْ وَطْأَتَكَ عَلَى مُضَرَ، اللَّهُمَّ اجْعَلْهَا سِنِينَ كَسِنِي يُوسُفَ”.
নবী (ﷺ) এশার শেষ রাক’আতে যখন ‘সামিয়াল্লাহু লিমান হামিদাহ্’ বলতেন তখন কুনূতে (নাযিলা) পড়তেনঃ হে আল্লাহ! আইয়্যাশ ইবনু আবূ রাবী’আহ্কে মুক্তি দিন। হে আল্লাহ! ওয়ালীদ ইবনু ওয়ালীদকে মুক্তি দিন। হে আল্লাহ! সালামাহ ইবনু হিশামকে মুক্তি দিন। হে আল্লাহ! আপনি দুর্বল মু’মিনদের মুক্ত করুন। হে আল্লাহ! আপনি মুযার গোত্রকে ভয়াবহ শাস্তি দিন। হে আল্লাহ! আপনি তাদের উপর ইউসুফ (আঃ) -এর সময়ের দুর্ভিক্ষের বছরের মত দুর্ভিক্ষ চাপিয়ে দিন। (সহিহ বুখারী ৬৩৯৩, মান: সহিহ)
৮। এক লোককে আদেশ অমান্য করার অহংকারের জন্য জন্য বদ-দো‘আ করেছিলেন,
সালামা ইবনে আকওয়া (রাঃ) থেকে বর্ণিত,
وَعَن سَلَمَةَ بنِ الأَكْوَعِ رضي الله عنه: أنَّ رَجُلاً أَكَلَ عِنْدَ رَسُولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم بِشِمَالِهِ، فَقَالَ: « كُلْ بِيَمِينِكَ» قَالَ: لاَ أسْتَطِيعُ . قَالَ: لاَ اسْتَطَعْتَ ! مَا مَنَعَهُ إِلاَّ الكِبْرُ ! فَمَا رَفَعَهَا إِلَى فِيهِ"
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর নিকটে একটি লোক তার বাম হাত দ্বারা আহার করল। (এ দেখে) তিনি বললেন, ‘‘তুমি ডান হাত দ্বারা খাও।’’ সে বলল, ‘আমি পারবো না!’ তিনি বদ-দো‘আ দিয়ে বললেন, ‘‘তুমি যেন না পারো।’’ ওর অহংকারই ওকে (কথা মানতে) বাধা দিয়েছিল। সুতরাং তারপর থেকে সে আর তার হাত মুখে তুলতে পারেনি। (মুসলিম ২০২১, আহমাদ ১৬০৫৮, ১৬০৬৪, ১৬০৯০, দারেমী ২০৩২, রিয়াদুস সলেহিন ৭৪৫, মান: সহিহ)
হাদিসের বিভিন্ন কিতাবে আরো অনেক সহিহ সনদের হাদিস রয়েছে যেখানে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বদ-দো‘আ করেছেন মর্মে বহু দলীল পাওয়া যায়। এছাড়াও রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বিভিন্ন বদ-কাজের জন্য লানত করেছেন। যেমন-
১। জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন-
عَنْ جَابِرٍ — رضي الله عنه — قَالَ: لَعَنَ رَسُولُ اللَّهِ — صلى الله عليه وسلم — آكِلَ الرِّبَا، وَمُوكِلَهُ، وَكَاتِبَهُ، وَشَاهِدَيْهِ، وَقَالَ: «هُمْ سَوَاءٌ» رَوَاهُ مُسْلِمٌ
নাবী (ﷺ) সুদগ্রহীতা, সুদদাতা, সুদ লেন-দেনের লেখক ও সাক্ষীদ্বয়কে লানত করেছেন। আর তিনি তাদের সকলকে সমান (অপরাধী) বলেছেন। (মুসলিম ১৫৯৮, আহমাদ ১৩৮৫১, বুলুগুল মারাম ৮২৯, মান: সহিহ)
২। ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ:
"رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا أَنَّ النَّبِيَّ — صلى الله عليه وسلم — لَعَنَ الْوَاصِلَةَ وَالْمُسْتَوْصِلَةَ، وَالْوَاشِمَةَ وَالْمُسْتَوْشِمَةَ. مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ"
নাবী (ﷺ) ঐসব মহিলাদেরকে লানত করেছেন যেসব মহিলা (কেশ বড় করার জন্য অন্য) কেশ সংযোগ করে আর যে মহিলা কেশ সংযোগ করায়, আর উলকিকারিণী এবং যে উলকি করায় এমন মহিলাদেরকেও। (বুখারী ৫৯৩৭, ৫৯৪২, ৫৯৪৭, মুসলিম ২১১৪, ১৭৫৯, ২৭৮৩, নাসায়ী ৩৪২৬, ৫০৯১, ৫২৫১, আবু দাউদ ২১৬৮, ইবনু মাজাহ ১৯৮৭, আহমাদ ৪৭১০, বুলুগুল মারাম ১০২২, মান: সহিহ)
৩। ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ:
قَالَ رَسُولُ اللَّهِ — صلى الله عليه وسلم -: « وَمِنْ قُتِلَ عَمْدًا فَهُوَ قَوَدٌ، وَمَنْ حَالَ دُونَهُ فَعَلَيْهِ لَعْنَةُ اللَّهِ»
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, যে কিসাস (জানের বদলে জান) কায়িম করার ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি করবে (সুপারিশ বা অন্য উপায় দ্বারা) তার উপরে আল্লাহর লানত বর্ষিত হবে। (আবূ দাউদ ৪৫৪০, ৪৫৯১ নাসায়ী ৪৭৮৯, ৪৭৯০, বুলুগুল মারাম ১১৭১, মান: সহিহ)
৪। আবদুল্লাহ (ইবনু মাস’উদ) (রাঃ) থেকে বর্ণিত,
“لَعَنَ اللَّهُ الْوَاشِمَاتِ، وَالْمُسْتَوْشِمَاتِ، وَالْمُتَنَمِّصَاتِ وَالْمُتَفَلِّجَاتِ لِلْحُسْنِ، الْمُغَيِّرَاتِ خَلْقَ اللَّهِ تَعَالَى، مَالِي لاَ أَلْعَنُ مَنْ لَعَنَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم وَهْوَ فِي كِتَابِ اللَّهِ {وَمَا آتَاكُمُ الرَّسُولُ فَخُذُوهُ}.”
“আল্লাহ্র অভিশাপ বর্ষিত হোক সে সব নারীদের উপর যারা শরীরে উল্কি অঙ্কণ করে এবং যারা অঙ্কণ করায়, আর সে সব নারীদের উপর যারা চুল, ভ্রু তুলে ফেলে এবং সে সব নারীদের উপর যারা সৌন্দর্যের জন্যে সম্মুখের দাঁত কেটে সরু করে, দাঁতের মধ্যে ফাঁক তৈরি করে, যা আল্লাহ্র সৃষ্টির মধ্যে পরিবর্তন আনে। রাবী বলেনঃ আমি কেন তার উপর অভিশাপ করব না, যাকে নবী (ﷺ) অভিশাপ করেছেন? আর আল্লাহ্র কিতাবে আছেঃ “রসূল তোমাদেরকে যা দেয় তা গ্রহণ কর।” (সূরাহ আল-হাশর ৫৯ : ৭)।” (সহিহ বুখারী ৫৯৩১, ৫৯৪৩, জামে’ আত-তিরমিজি ২৭৮২ মান: সহিহ)
সহিহ বুখারীর এই হাদিসে রাবীর বর্ণনা থেকে পরিষ্কার যে, যাকে নবী (ﷺ) অভিশাপ করেছেন তাকে অভিশাপ করা যাবে এবং এটি নেক আমল।
- Sharia Law
রাসুল (সাঃ) বদদোয়া করেছেন?
December 14 2023
345
বর্তমান সময়ে বিবাহের ক্ষেত্রে মোহরে ফাতেমী কত টাকা?
December 01 2023
291
করযে হাসানা : কিছু নির্দেশনা
December 05 2023
291
কবরে শুয়ে মৃতরা কি শুনতে পায়?
December 11 2023
282
‘এরা এমন এক কালসাপ, যার বিষদাঁত এখনই উপড়ে ফেলা না হলে অন্যান্য মুসলিম ভূখণ্ডেও ছোবল বসাবে’
December 02 2023
252
ফিলিস্তিন সংকট : স্বদেশ ও বিদেশ
December 03 2023
251
কাফের দেশে স্থায়ী বসবাস সম্পর্কে ইসলামের বিধান
December 14 2023
232
গাজায় ইসরাইলের বর্বরতা গাজাবাসীর জন্য দুফোঁটা অশ্রু!
December 01 2023
231
হিজাব-নিকাব হিজাবের মর্যাদা রক্ষা কেন গুরুত্বপূর্ণ?
December 05 2023
221
ঈদের নামায স্থানীয়ভাবে আদায় করবো? না সৌদির সঙ্গে মিলিয়ে?
December 03 2023
214